ইসলামিকদোয়া

৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা হন শুধুমাত্র একটি আমল করার মাধ্যমে

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ আশা করি আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে সকলেই ভাল আছেন| আজকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছি প্রশ্নটি করেছেন একজন ভাই তিনি জানতে চেয়েছেন প্রিয় ভাই লম্বা হওয়ার কোন আমল আছে কি শুধুমাত্র লম্বা না হওয়ার কারণে আমি অনেকগুলো চাকরি হারিয়ে | ভাই আপনি আমাকে জানাবেন কি আমরা কি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে লম্বা হওয়ার জন্য দোয়া করতে পারব মানে শারীরিক উচ্চতা কথা বলছি | আর যদি লম্বা হওয়ার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করা যায় তাহলে সেটা কি

আলহামদুলিল্লাহ প্রিয় ভাই যে আল্লাহ রব্বুল আলামীন আপনাকে অস্তিত্বহীনতা থেকে অস্তিত্ব দান করেছেন মায়ের পেট থেকে ভ্রু এর মাধ্যমে পুরো পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন |সে আল্লাহ রব্বুল আলামীন আপনার সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতা থেকে আরও  ৪ ইঞ্চি বাড়িয়ে দিতে পারবেন না | অবশ্যই পারবেন আল্লাহর ক্ষমতার বাইরে কোন কিছুই নয় | আপনি চাইলেই এ বিষয় নিয়ে ও দোয়া করতে পারেন | তবে কখনো এমনটি ভাববেন না যে আপনি লম্বা হচ্ছে না বলেই আপনার চাকরি হচ্ছে না আল্লাহ চাইলে আপনাকে লম্বা করে রাখতে পারেন আবার  বেটে অবস্থায়ও গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি দিতে পারেন | সম্মান মান-মর্যাদা অনেক কিছুতেই বাড়িয়ে দিতে পারেন মনে রাখবেন ইজ্জত-সম্মান সামাজিক অবস্থান চাকরি-বাকরি সকল কিছুর ক্ষেত্রে আপনি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাহায্য চাইবেন |

 

আজকে আমরা লম্বা হওয়ার একটি সুন্দর আমল জানবো ইনশাআল্লাহ প্রথমে বলতে চাই মানুষ লম্বা হতে চাই | কেননা বেটে   হওয়ার কারণে অনেকেরই খারাপ লাগতে পারে মনে মনে খারাপ লাগতে পারে যে আমি যদি আরেকটু লম্বা হতাম ২-৩ ইঞ্চি | দ্বিতীয় কারণ হলো অনেক কেঁদেছে হওয়ার কারণে চাকরি হয় না সে ব্যক্তি চাইলে এই আমলটি করার মাধ্যমে একটু লম্বা হতে পারবে ইনশাআল্লাহ | তৃতীয় কারণটি হলো অনেক বোন আছে যারা বেটে হওয়ার কারণে তাদের বিয়ে হয় না তারা চাইলেও এই আমলটি করে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি লম্বা হতে পারেন  | তবে কখনো আপনাদের মনে যেন এরকম টি না আসে যে আমি লম্বা হলে আমার সমস্যার সমাধান হবে | আমি তো বলব সর্বক্ষেত্রে আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন আল্লাহ আপনি আমাকে যেমনি বানিয়েছেন সর্বোৎকৃষ্ট বানিয়েছেন আপনি আমার এই পরিস্থিতির মধ্যে আমাকে সফলতা দান করুন আপনার পক্ষে অসম্ভব কিছু নেই আপনি চাইলে খুশি হন বান্দার কাছে চাইলে বান্দা অসন্তুষ্ট হয় | এই আসমান জমিনের মালিক আপনি আমাকে আমার খায়েশ  পূর্ণ করে দিন |

যাইহোক যদি আপনার মনের লম্বা হওয়ার খায়েস জেগে থাকে সেটার জন্য আল্লাহর কাছে চাওয়া বা দোয়া করার সম্পূর্ণরূপে  জায়েয | যে আমলটি কথা জানাব সেটি প্রতিদিন করতে পারেন এবং ইয়াকিন এক্লাসের শহিত আমলটি করতে হবে মনের মধ্যে বিশ্বাস  রেখে আমলটি করতে হবে | আপনার মনের মধ্যে যদি বিশ্বাস না থাকে তাহলে এই আমলটি আপনার জন্য নয় | এবং এই আমলটি করলে আপনারা কোন ফল ভোগ করতে পারবেন না | আমলের পূর্বশর্ত হলো  সুদৃঢ় বিশ্বাস | মানুষ কিন্তু ২৫ বছর পর্যন্ত বাড়তে থাকে বা লম্বা হতে থাকে | সুতরাং এই আমলটি হচ্ছে তাদের জন্য যারা ২৫ বছর এর ঊর্ধ্বে | সাধারণত আমরা তিন বার খাওয়া দাওয়া করি |  সকাল, দুপুর এবং রাতে | আমরা এই আমলটি সকালে খাওয়ার সময় করব আর রাতে খাওয়ার সময় করব | আমলটি হলো আল্লাহ তায়ালার একটি গুণবাচক নাম , ইয়া সামিউ | আমি আবারো বলছি ইয়া সামিউ  |

 

এটি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সিফাতি আল্লাহ নামের পরে আর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম | এই নামটির মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের একটি বিশেষ গুণ  ৯৯ টি গুণ এর থেকে 1 টি গুণ ধরে আপনি আল্লাহতালাকে ডাকছেন | ইয়া সামিউ শব্দের অর্থ হচ্ছে  হে সর্বশ্রোতা | আর আপনি এই সর্বশ্রোতা কাছে মন খুলে আপনার সকল চাওয়া পাওয়া উপস্থাপন করুন আপনি আল্লাহর উপর আলামিন কে বুঝান আপনার চাওয়া কি আপনার পাওয়া কি |  আর আপনি যখন বারবার ইয়া সামিউ ইয়া সামিউ বলে ডাকবেন তখন আপনি সর্বশ্রোতা আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনকে তার সকল বিষয়ের শ্রবণকারী তার এই বিশেষ গুণটির প্রতি আহবান করছেন |  সুতরাং আল্লাহ আপনার ডাক অবশ্যই শুনবেন কেননা আপনি ডেকেছেন ইয়া সামিউ | আপনি যখন সকালবেলা খেতে বসবেন খাবার খাওয়ার আগে সে খাবারের মধ্যে ১০০ বার আল্লাহর নামটি ইয়া সামিউ পড়ে এবং এক বার দুরুদ শরীফ পাঠ করে খাবারের মধ্যে ফু দিয়ে তারপর খাবেন | মনে রাখবেন অবশ্যই দুরুদ শরীফ বেজোড় সংখ্যায় পড়বেন এবং বেশি বেশি দরুদ পড়বেন আর যখন কোন দোয়ার সাথে যুক্ত হয় তখন সে দোয়া আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে কবুল হয়ে যায় |  রাতে খাবারের সময় ইয়া সামিউ নামটি ১০০ বার পাঠ করে দুরুদ শরীফ পাঠ করে খাবারে ফু দিয়ে তারপর রাতের খাবার খাবেন |  তারপর খাবার শেষ হলে ১০০ বার ইয়া সামিউ পাঠ করবেন | ইনশাআল্লাহ আপনি অতি শীঘ্রই ফলাফল পাবেন |  তবে খেয়াল রাখবেন যে খাবারের উপর ফু দিবেন সে খাবারটি আপনার নিজের শেষ করতে হবে | অপচয় করা যাবে না | রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সুন্নত তরিকা মোতাবেক খাবার খাবেন  এবং সর্বসময় সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর উপর আল-আমিনকে স্মরণ করবেন | বাংলা ভাষা ও আপনি চাইলে আল্লাহ তাআলার কাছে আপনার চাওয়া পাওয়া গুলো উপস্থাপন করতে পারেন তিনি সব শুনে কেননা আপনি তো ডেকেছেন ইয়া সামিউ  (সর্বশ্রোতা) সুতরাং এবার আপনি মনের মত করে দোয়া চাইতে পারেন আল্লাহ আপনার দোয়া অবশ্যই কবুল করবেন |

 

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close