ইসলামিক

জীবনসাথী হিসেবে কেমন মেয়ে নির্বাচন করা উচিত।।কেমন মেয়েকে বিয়ে করবেন?

প্রিয় ভাই জীবনসাথী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। একজন নেককার মেয়ে একজন যুবকের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান উপহার। একজন পবিত্র স্ত্রী আপনার জীবনকে সৌভাগ্য কল্যাণে ভরে দেবে তার মেয়েকে জীবন সাথী হিসেবে পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করা চাই।

রাসুল সাঃ এরশাদ করেন, “দুনিয়ার সবকিছুই উপভোগের উপকরণ। আর দুনিয়ার সর্বোত্তম সৌভাগ্য উপকরণ হলো পুণ্যবতী স্ত্রী “

প্রিয় ভাই আপনি এমন একজন জীবনসাথী নির্বাচন করছেন যে সুখে-দুখে আপনার সঙ্গে থাকবে মৃত্যু পর্যন্ত আপনার সান্নিধ্যে থাকবে সে আপনার সন্তানের মা হবে আপনার বংশের আমানতদার হবে তাই হিসেবে আপনি কাকে বাছাই করবেন এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। আজকাল নারীদের বেপর্দা চালচলন বেহায়াপনা অশ্লীলতা এতই বেড়ে গেছে যে উপযুক্ত মেয়ে খুঁজে বের করা বড়ই মুশকিল।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কথা ভাবতেই বুক শিউরে ওঠে। নির্বাচনের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ই আমাদের আদর্শ কিসে আমাদের কল্যাণ এই ব্যাপারে তার নির্দেশনাই আমাদের জন্য চূড়ান্ত ।

রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন “ চারটি বৈশিষ্ট্যের দিকে লক্ষ রেখে মেয়েকে বিয়ে করা হয়। তা হল সম্পদ, বংশ, সৌন্দর্য ও দ্বীনদারী। তুমি কে প্রাধান্য দাও নতুবা ক্ষতিগ্রস্ত হবে”।

প্রিয় ভাই চারটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে দ্বীনদারী প্রাধান্য পাবে। দিন তারিখ আসল ধরে বাকিগুলো যতটুকু সম্ভব বিবেচনায় রাখতে হবে। এমন যেন না হয় বাকি সব আছে কিন্তু দ্বীনদারী নেই। একজন বদকার নারী আপনার জীবনের জন্য মূর্তিমান অভিশাপ। দাম্পত্য জীবনে যদি আগুন লাগাতে না চান তাহলে ভদকার নারী বিয়ে করা থেকে বেঁচে থাকুন।সে নিজের ক্ষতি ত  করেই সন্তানরাও তার অত্যাচার অনিষ্ট থেকে রক্ষা পায় না ।

আপনার জীবন আর সন্তানদের জীবন দুটোই নষ্ট হবে। আপনার অনাগত সন্তানদের জন্য একজন পবিত্র মায়ের ব্যবস্থা করা আপনার উপর সন্তানদের হক। নেককার স্ত্রী স্বামীর জন্য সর্বক্ষণ দোয়া করে সালাতের পর দুই হাত তুলে স্বামীর মঙ্গলের জন্য আল্লাহর দরবারে মিনতি করে।স্বয়নে জাগরণেস্বামীর কল্যাণ কামনাই হয়ে উঠে তার একমাত্র ধ্যানজ্ঞান।

প্রতিটি আহসান এর জন্য সে স্বামীর প্রশংসা করে শুকরিয়া আদায় করে স্বামীর প্রতি সে বিশ্বস্ত থাকে।

আর  বদকার স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হয় । বদকার স্ত্রীর কারণে স্বামীর অমঙ্গল হয় সংসারে সবসময় অশান্তি লেগেই থাকে।

সন্তান জন্মদান তাদের প্রতিপালক এবং যথোপযুক্ত তারবিয়াতের মাধ্যমে তাদেরকে দীনের দায়ী ও সাহায্যকারী হিসেবে গড়ে তোলার ফজিলত অপরিসীম আর এই জন্য নেককার স্ত্রীর বিকল্প নেই।

রাসুল সাঃ বলেন ” তোমরা অধিক সন্তান জন্মদানকারী প্রেমময় নারীদের বিয়ে করো। কেননা কিয়ামতের দিন তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে আমি অন্যান্য জাতির সাথে গর্ব করব”।

নেককার স্ত্রী সর্বদা স্বামীর পাশে থাকে,বিপদে দুর্যোগে সংকটেসে কখনো স্বামীকে ত্যাগ করে না।পুণ্যবতী নারীদের আত্মত্যাগের অগণিত দৃষ্টান্ত ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের পড়তে পড়তে।

প্রিয় ভাই নেককার স্ত্রী স্বামীকে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগিতে সাহায্য করে ফলে দয়াময় প্রভূর আনুগত্য তার জন্য অনেক সহজ হয়ে ওঠে। ইবাদত আপনার প্রিয়তমাই হবে আপনার একান্ত সহযোগী ।এর থেকে খুশির কথা আর কি হতে পারে।

এমন অনেক যুবক আছে যারা নেককার স্ত্রীর হাত ধরে দিনের পথে ফিরে এসেছে। আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিম ভাইকে জীবন সাথী হিসেবে নেককার মেয়ে মিলিয়ে দিন।সবার জীবনকে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে দিন।  আমিন।।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close