ইলুমিনাতিদোয়া

চলতে-ফিরতে যে আমল টি করলে অর্থ সম্পদের আর অভাব থাকবে না।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় দর্শক মন্ডলী আশা করি আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজকে আপনাদের সামনে এমন একটি দোয়া নিয়ে হাজির হয়েছি যে দোয়াটি পাঠ করলে ইনশাআল্লাহ অনেক উপকৃত হবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি উপকারের কথা জানাব। এক নম্বর হলো সংকীর্ণতা দূর হয়ে যাবে আমরা অনেকেই কামাই রোজগার করি, যারা ব্যবসায়ী তারা ব্যবসা-বাণিজ্য করি, যারা কর্মজীবী চাকরি করি এবংনানা ভাবে কাজ করে টাকা আয় করে থাকি। কিন্তু টাকার মধ্যে কোন বরকত থাকে না। এমন অনেক পরিবার আছে একদিক দিয়ে ইনকাম হয় অন্য দিক দিয়ে ব্যয় হয়। অনেকে লেখাপড়া শেষ করেও চাকরি করতে পারে না অনেক উপার্জনের পরেও প্রতিনিয়ত সংসারে অভাব লেগেই থাকে। আবার অনেক পরিবারকে দেখা যায় প্রতিনিয়ত আল্লাহর এবাদতে মশগুল থাকে আর তারা মাসে 5 থেকে 10 হাজার টাকা ইনকাম করে খুব সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করছে। আল্লাহ বরকত দিয়ে পরিপূর্ণ করে রেখেছেন।

ইনশাআল্লাহ দোয়া করলে সবকিছু দূর হবে এবং আপনার ঘরে বরকত আসবে। দ্বিতীয় নম্বর হলো আল্লাহ তাআলা আপনাকে এমন দিক থেকে রিযিক দান করবেন আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না অকল্পনীয়ভাবে রিযিক দান করবেন। যদি আপনি নিয়মিত এ দোয়াটি পাঠ করেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, তোমরা জানো না আল্লাহ তাআলা চাইলে তোমাদের যেভাবে রিযিক দিতে পারেন , যেমন একটি পাখি ভোরবেলা তার ছোট্ট বাসা থেকে খালি পেটে বের হয়। আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে আসে। ঠিক একইভাবে আল্লাহ চাইলে দোয়ার বরকতে তোমাদের এইভাবে রিযিক দিতে পারেন ।

তৃতীয় নম্বর হলো যত প্রকার চিন্তা পেরেশানি আছে তা আল্লাহ তাআলা দূর করে দিবেন। যদি এই আমলটি নিয়মিত পাঠ করেন। আর দুশ্চিন্তা আমাদের কার নেই বলেন ।যখন থেকেই আমরা দায় দায়িত্ব নিয়েছি পরিবারের সমাজের বা কোন প্রতিষ্ঠানের তখন থেকেই আমাদের দুশ্চিন্তা পেরেশানি রয়েই গেছে। আর এই পেরেশানি আমাদের মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত থেকে যাবে। এই আমলটি মাটির কথা আবু দাউদ শরীফ ও অন্যান্য হাদীস শরীফে উল্লেখ রয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন নিয়মিত ইস্তেগফার পাঠ করো আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর।

আপনি কতটুকু পাঠ করবেন? শুধুমাত্র অস্তাগফিরুল্লাহ পাঠ করলেই কি হবে।আপনি কি আরেকটু বাড়িয়ে বলতে পারেন। হা ভাই শুধুমাত্র আস্তাগফিরুল্লাহ পড়লেও আপনার জন্য ইস্তেগফারের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেখানো সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়াটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে পারেন তাহলে তো আর কোন কথাই নেই এটি শ্রেষ্ঠ ইস্তেগফার এর দোয়া।

দোয়াটি হচ্ছেঃ আস্তাগফিরুল্লাহহাল্লাজি  লা ইলাহা ইল্লাল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম, ওয়া  আতুবু ইলাইহি ।

যার অর্থ হচ্ছে আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই তিনি ব্যতীত কোন মাবুদ নাই তিনি চিরঞ্জীব তিনি চিরন্তন এবং আমি তার কাছেই ফিরে আসি ।তিরমিজি আবু দাউদ। সুবাহানাল্লাহ। সুবহানাল্লাহ কতটা আবেগমিশ্রিত ভাবে কোন বান্দা এভাবে তওবা করলে আল্লাহ তাকে কখনোই ফিরিয়ে দিবেন না। আর রিপোর্টের শুরুতে আমি যে তিনটি অ্যাডভান্টেজ আপনাদের বলেছি আপনারা এই দোয়ার মাধ্যমে তা অবশ্যই অর্জন করতে পারবেন ইনশাল্লাহ । আপনাদের সুবিধামতো আপনারা পাঠ করবেন আপনি যেখানেই যান না কেন আপনি ইস্তেগফার পাঠ করতে থাকবেন। নিয়মিত পাঠ করবেন আস্তাগফিরুল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ এভাবে দিল থেকে পড়তে থাকেন থেকে পড়তে থাকেন। আপনার অন্তর থেকে যেন আস্তাগফিরুল্লাহ শব্দটি উচ্চারিত হয়।

আপনি কোন গুনাহ লিপ্ত হলে ইস্তেগফার পাঠ করলে সেগুলো থেকে আল্লাহ তাআলা আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন। আপনারা সকলেই এই দোয়াটি অবশ্যই পাট করবেন এবং  রিপোর্ট টি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের এ ব্যাপারে জানিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে আমল করার তৌফিক দান করুক। মৃত্যুর আগে যেন আমরা বিশেষ আমল করে আমাদের নেক আমলের পাল্লাকে ভারী করতে পারি। যেন কিয়ামতের ময়দানে আফসোস করতে না হয়। হে আল্লাহ আপনি আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুক। আমিন

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close